ডায়াবেটিস রোগীর মধু খাওয়া নিয়ে কী বলছে গবেষণা?

0
23

সেই প্রাচীনকাল থেকে খাদ্য ও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে মধু। সর্দি-কাশি থেকে বিভিন্ন রোগের সমাধানে মধুর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এদিকে ডায়াবেটিস রোগীদের মধু খাওয়া কতটুকু উপকারী তা নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে। বিশ্বে টাইপ-২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত অনেক রোগী রয়েছেন। এসব রোগীদের অধিকাংশ সময়ই মিষ্টি জাতীয় খাবার না খাওয়ার জন্য বলা হয়ে থাকে।
ধুতে ফ্রুকটোজ (ফলশর্করা) রয়েছে ৩৮ শতাংশ, গ্লুকোজ ১৭ শতাংশ, ম্যালটোজ ৭ শতাংশ এবং শর্করা ৪ শতাংশ। মধুতে থাকা সামান্য এই শর্করাও রেচন প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত গ্লুকোজে পরিণত হয়। এতে মধুর ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশই গ্লুকোজে পরিণত হচ্ছে। খুব সামান্য প্রোটিন পাওয়া যায়। এটি ঘন শর্করা জাতীয় খাদ্য। অনেকে বলে থাকেন যে মধু মিষ্টি জাতীয় হলেও ডায়াবেটিস রোগীরা ইচ্ছা অনুযায়ী মধু খেতে পারেন।

মধুতে কার্বোহাইড্রেট: আজকাল মধুতে ভেজাল পাওয়া যায়। তবে খাঁটি মধুতে প্রতি এক চামচে ৬৪ ক্যালোরি এবং ১৭ গ্রাম চিনি থাকে। এছাড়াও এক চামচ মধুতে ১৭ গ্রাম পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে। সেই সঙ্গে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। কিন্তু এদের পরিমাণ খুব কম। তবে পুষ্টির বিপরীতে মধুকে বেছে নেয়া একদমই ঠিক হবে না।

মধু-চিনির মধ্যকার পার্থক্য: চিনির পরিবর্তে মধুর ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই পরীক্ষাটি ব্যাখ্যা করতে হবে। তবে এটা ঠিক যে, চিনি মধুর থেকে অনেক বিপজ্জনক, কেননা এতে কোনও ভিটামিন বা খনিজ থাকে না। তার অর্থ এই নয় যে মধু খাওয়া ঠিক আছে। মধুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) পরীক্ষায় দেখা গেছে মধুর জিআই স্কোর ৫৮ এবং চিনির জিআই স্কোর ৬০। যার অর্থ চিনি খেলে রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেবে। তবে মধুতে এই হার কিছুটা কম। যারা ইনসুলিনের চিকিৎসা নেন তাদের জন্য মধু খাওয়া বিকল্প হতে পারে না। তারপরও মধু খেতে পারেন তবে তা পরিমাণ মতো খেতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here