পিগমেন্টেশনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে করনীয়

0
31

কাজের তাগিদে আজকাল মেয়েদের বাইরে বেরোনো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্রখর রোদ, রাস্ত্মাঘাটের দূষিত বাতাস এবং ধুলোবালি মুখের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। এজন্য পিগমেন্টেশন সমস্যায় ভুগছেন এরকম মেয়ের সংখ্যা নিতান্ত্মই কম নয়।
অনেকে নানাভাবে এর প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে থাকেন।
নিচের কিছু নিয়ম মেনে চলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন:
১. রোদে বাইরে বেরোনোর আগে ভালো করে সানস্ক্রিন লাগিয়ে বের হন। আপনার ত্বকের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী উচ্চ এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন লাগাবেন।
২. চালের গুঁড়ার সঙ্গে দই মিশিয়ে একটি ফেশিয়াল স্ক্রাব তৈরি করম্নন। এই স্ক্রাবটি সপ্তাহে এক থেকে দুবার ব্যবহার করবেন। শুধু ডার্ক প্যাঁচগুলোর ওপরেই এই প্যাকটি লাগাবেন। ছোট ছোট সার্কুলার মুভমেন্টে ওই জায়গাগুলোর ওপরে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩. মধু ও লেবুর রস সমপরিমাণে মিশিয়ে ফেলুন। প্রতিদিন নিয়ম করে ডার্ক প্যাঁচের ওপরে লাগাতে থাকুন। মিনিট পনেরো পরে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
৪. গ্রাউন্ড আমন্ড আর দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিন ভালো করে। এই মিশ্রণটি মুখে লাগাবেন। পনেরো মিনিট পরে হালকা করে ঘষে নিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ব্রণ থেকে রক্ষা পেতে যা করবেন
রূপচর্চার আর দশটা বিষয়ের চেয়ে ব্রণের বিষয়টি সবসময়ই রূপসচেতন মানুষের কাছে একটু বাড়তি গুরম্নত্ব পেয়ে আসছে। কেননা এমনিতে কারো ত্বক উজ্জ্বল হোক কিংবা অনুজ্জ্বল যাই হোক না কেন ব্রণের সমস্যা যখন সেই ত্বকে যোগ হয় তখন রূপচর্চার চেয়ে রূপের স্বাভাবিকতা ধরে রাখাটাই হয়ে ওঠে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এ কারণে রূপ বিশেষজ্ঞের চেম্বার থেকে শুরম্ন করে পত্রিকার পাতা পর্যন্ত্ম সবখানেই ব্রণ মোকাবেলার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর ফলে ব্রণ কেন হয় এবং কিভাবে ব্রণের সমস্যা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা যায় সেটি নিয়ে অনেকেই কমবেশি জানেন।
সাধারণত শুষ্ক এবং তৈলাক্ত দুই ধরনের ত্বকেই কমবেশি ব্রণের দেখা মেলে। তবে আনুপাতিক হারে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরাই ব্রণ সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ ছাড়া ব্রণের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে সহজ-স্বাভাবিক আরো যেসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে সেগুলো হলো-

বেশি করে পানি খাওয়া।
চুলে খুশকি থাকলে তা দূর করা।
খাবারের তালিকায় শাক-সবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া।
ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলা।
নিয়মিত গোসল করা।
পেটের সমস্যা থাকলে পেট পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ নেয়া।
ভিটামিন ও মিনারেল-যুক্ত খাবার খাওয়া।
পরিধেয় বস্ত্র ও তোয়ালে পরিষ্কার রাখা।
দুশ্চিন্ত্মা না করা।
সম্ভব হলে মাসে একবার ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের উপরিভাগ পরিষ্কার রাখা।
তৈলাক্ত ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন ব্যবহার করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here