আমি না কপি করাতে ওস্তাদ।
আমার পারা মোটামোটি চলনসই দুটি কাজ – ছবি আঁকা আর নাস্তা বানানো।

ছোট বেলা ৬/ ৭ বছর বয়স থেকেই আমি যেখানে যেই ছিবি বা নকশা আকা দেখতাম তাই কাগজ পেন্সিল নিয়ে একেঁ ফেলতাম। আকাঁর হাত ভালোই ছিল। কিন্তু কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিলনা। তাই এ বিষয় টা নিয়ে বেশিদূর এগোতে পারিনি। আর কলেজ লাইফ পর্যন্ত যা চলেছে ইচ্ছা ছিল চারুকলাতে পড়ার। কিন্তু বাসার সকলের নিমরাজিতে আর হয়ে উঠে নি। ঘরে সব চলবে, বাহিরে না। এসবে লাইফ নেই। তাই ভার্সিটি লাইফ থেকে বন্ধ হয়ে গেল।

আবার ছেলের ইচ্ছাকে পুরন করতে আঁকিবুঁকি শুরু করলাম। কিন্তু সে ও সেই কপিরাইট অন্যের আকা দেখে সেটাকে নিজের কগজ পেন্সিলে তুলেধরা। ছেলেকে শিখানো।

আর একটা কাজ করি আমি আনন্দ নিয়ে- সেটা হল বাসার সকলের জন্য নানা রকম নাস্তা বানানো।

আমার কাছে মাছ তরকারি রাধাটা খুবই বিরক্তিকর মনে হয় তারচেয়ে পিঠা-পুলি সহজ আর ইন্টারেস্টিং লাগে। সেঈ আগ্রহটা ও জন্মেছে ছেলের স্কুলের ৫দিন এ ৫ রকম টিফিন দিতে যেয়ে। ওকে বাহিরের কেনা খাবার টিফিন হিসাবে দিতে আমি রাজি না।
আমাদের সময়কারমত রুটি আলু ভাজি বা গুড়া দুধ চিনি দিয়ে পরটার রোল উনাদের আবার প্রেস্টিজ ইস্যু নাকি! কি আর করা সেই থেকেই নাস্তা বানানো শুরু।

আমি খুব আনকোরা ঘরের জন্য করি নিজের মনের খোরাক মেটাতে করি। সাধাসিধে মেয়ের সাধারণ কাজ।

উম্মে নাহার মিরা
স্বত্ত্বাধিকারী
Sister’s Twist Crafts

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here