পল্লী গায়েঁর মেয়ে আমি ।
ছাত্রী মোটামুটি তুখোড় বলতে যা বুঝায় তাই ছিলাম।
হুদাই রাতদিন পড়াশোনা করতাম। আতেল টাইপ আর কি! ! !

রেজাল্টও ভালোই ছিলো।

যাইহোক
পড়াশোনার মাঝেই আব্বা শহরে উচ্চ শিক্ষিত সরকারি কর্মকর্তা ছেলে পেয়ে বিয়ে দিয়ে দিলো।

বিয়ের দুদিন পরের ঘটনা ,

জামাই ভদ্রলোক খুব খাতির করে জিজ্ঞাসা করলো, ” তোমার কি কাউকে পছন্দ আছে?

মানে কাউকে ভালোবাসো? ?

আমি পটাশ করে উত্তর দিলাম, হুম করি তো
ভালোও বাসি।

গ্রামের সহজ সরল অবলা মেয়ের মুখে এরম উত্তর শুনে বেচারী হতবাক।

অন্নেক কষ্টে ধাক্কা সামলে জিজ্ঞাসা করলো, কাকে ভালোবাসো,

আমি বল্লাম, শুভ্র কে ভালোবাসি।

দ্বারুচিনি দ্বীপ, রুপালী দ্বীপের শুভ্র ।

ক্লাস টেনে টেস্টে সেকেন্ড হয়ে মেধা পুরস্কার পেয়েছিলাম বই দুটো।

তারপর থেকেই শুভ্র মাথার মধ্যে।
তারপর থেকেই বইয়ের নেশায় বুদ হয়ে থাকতাম।
আজও তাই. . .

আমার উত্তর শুনে বেচারা হাফ ছেড়ে বাঁচলো ।

তারপর সময়ের বিবর্তনে হুমায়ূন স্যারের সব বই আজ আমার ঘরে,
শুধু হুমায়ূন স্যার না সুনীল, সমরেশ, ফাল্গুনী, বুদ্ধদেব, রবীন্দ্রনাথ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, শরত্চন্দ্র কিম্বা ব্যোমকেশ বা কাকাবাবু কিম্বা ফেলুদা
সবাই আজ আমার ঘরে।

বিষন্ন সময় গুলো তে এরাই আমার সঙ্গী

হ্যাপি রিডিং
পৃথিবী হোক বইয়ের পৃথিবী

নাসরিন জাহান সীমা
স্বত্ত্বাধিকারী
প্রয়াস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here