কলার নেকপিছ কিংবা চোকার, এই ধরনের গহনার প্রচলণ কবে থেকে হয়েছে জানেন কি?
যদিও বর্তমান সময়ে এই ধরনের গহনার পপুলারিটি অনেক বেশি, কেননা পাশ্চাত পপ তারকারা এই ধরনের গহনাগুলো বেশি ব্যবহার করছেন আজকাল।
টাইলর সুইফট, কেন্ডেল জেনর – এর মত তারকারা যে ধরনের ফ্যাশন ট্রেন্ড গুলো শুরু করেন, সেখানে ফ্যান ফলোয়াররাও কিন্তু তাদের সেই স্টাইল ফলো করতে পছন্দ করে।
যদিও বলা হয়ে থাকে ৯০ দশকে সব থেকে বেশি ফ্যাশন পরিবর্তন আসে, কিংবা ওই সময়ে এই ধরনের গহনাগুলোর চল শুরু হয় যা সময়ের সাথে ব্যপকতা লাভ করে।
কিন্তু, ইতিহাস বলে অন্য কথা। গহনা ডিজাইনার ও বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাচীন মিসোপোটেপিয়ান এবং ইজিপ্ট সভ্যতায় প্রথম এ ধরনের গহনার প্রচলন শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯ দশকে ফ্যাশন জগতে এই ধাচের গহনার ব্যবহার বেশি শুরু হয়।
রেফারেন্স স্বরূপ কিছু উদাহরণ, যেমন –
* ১৮৬০ সালে “অলিম্পিয়া” নামক একটা চিত্রকর্মে চোকার পরিহিত এক নারীকে দেখা যায়।
* ১৮১৯-১৯০১, এই সময়ের মধ্যে রানী ভিক্টোরিয়াকে একাধিকবার এই ধরনের গহনা পরতে দেখা যায়।
* ডেনমার্কের রাজকুমারী আলেকসান্দ্রা এই ধরনের চোকার জাতীয় গলায় গহনা পরতেন (১৮৪৪-১৯২৫)
* দ্য আদার বোলিইন গার্ল (২০০৮) সিনেমায় “এনে বোলিইন” কে যেভাবে চিত্রায়ন করা হয় সেখানে তার পোশাকের সাথে গহনার যে ধাচ, তাতে এই ধরনের কলার/চোকার গহনা চিত্রায়িত হয়।
* ২০১৫ সাল থেকে বড় বড় ফ্যাশন হাউজ গুলো তাদের র‌্যাম্প শো গুলোতে বিভিন্ন ধাচের কলার (collar) নেকপিছ এর ডিজাইন গুলো মডেলদের মাধ্যমে প্রদর্শন শুরু করে।
সময়ের সাথে সাথে সেই গহনার ডিজাইনে নানান পরিবর্তন এসেছে। এখনকার কলার গহনা গুলো কোন বন্ধনী ছাড়াও হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে অন্যান্য এক্সেসরিজ সংযুক্ত করে এর সৌন্দর্য বাড়ানো হয়।
যদিও চোকার এর অনেক রকম ডিজাইন হয়ে থাকে। একটি বিশেষ ধরন (গলায় বেল্ট এর মত) নিয়ে কিছু দ্বিমত আছে যে, এই ধরন টা মূলত আদী দাসত্ব প্রথার চলকে প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হতো। কিন্তু খৃষ্টপূর্ব ২৫০০ বা তার কিছু সময় আগে থেকে গহনার ডিজাইনের ক্ষেত্রে এই ধরনের ডিজাইন শুরু করা হয়, যা অনেক স্বাচ্ছন্দের সাথেই ব্যবহার করা হতো।
————————
তথ্য সূত্র – গুগল (জুয়েলারি আর্টিকেলস)
অনুবাদ, লেখা ও ডিজাইন ©️ নীরা নাজ তারিন

সত্ত্বাধিকারী আবোলতাবোল – কাজেই নামের পরিচয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here