সারাদিন ঘুরে ফিরে অনেক কথাই ভাবি,অনেক কথাই বলতে ইচ্ছে করে।
আজ কেন জানি, একটি ঘটনা বলতে ইচ্ছে হলো। ঠিক দশ দিন আগের কথা।
সেদিন দুপুর তিনটা, রান্না করতে করতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। ঘরে আমি এবং আমার মেয়ে।আমার খুব ভাল করে মনে আছে আমি রান্না শেষে,আমার গ্যাসের চুলা টা বন্ধ করেছিলাম। তারপর মেয়েকে গোসল করিয়ে খেতে এসে দেখি,রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ধরে গেয়েছে! আসলে ১০ মিনিট আগেই ধরেছিল,আমরা বেডরুমে থাকায় খেয়াল করিনি। আগুন রান্না ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে চলে গিয়েছিল এবং বাইরে থেকে মানুষজন সেটা দেখে আমাদের বাড়িওয়ালাকে খবর দেয়। পুরো দালানের ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার অফ করে,দ্রুত তারা উপরে চলে আসে।দরজা ধাক্কালে আমি দরজা খুলে দেই..আমাদের দালানের প্রত্যেক ফ্লোরে অগ্নি নিরোধক যন্ত্র থাকায়, ৫ মিনিটে আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছিল।
এদিকে আমি যখন আগুন দেখি,কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। আমি আমি এবং আমার মেয়ে ৩-৪ মগ পানি দিয়েছিলাম যতটুকু মনে পড়ে,সাহস করে গ্যাসের সিলিন্ডার টা টেনে আগুনের নিচ থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে আসি।
এরমধ্যে বাড়িওয়ালারা চলে আসায়, এবারের মতো দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেলাম।
সৃষ্টিকর্তার অপার অনুগ্রহ আমাদের উপরে রয়েছে,তা মনেপ্রাণে আমি বিশ্বাস করি।
মূলত আগুন লেগেছিল, একটা কাগজ থেকে যা কিনা আমার রান্নাঘরে চুলার পাশেই ছিল। রান্নার সময় সেখানে আগুন ধরে যায় সাথে সাথে আমি পানি ঢেলে নিভিয়ে ফেলি।কাগজটার পাশেই ছিল হাত মোছার টাওয়াল। পানি দিয়ে আমি আগুনটা নেভালেও, হাত মোছার টাওয়ালে হয়তো একটা ফুলকা উড়ে পরে।আমি রান্না ঘর থেকে বের হয়ে যাবার পর, সেখান থেকে বাড়তে বাড়তে শেষপর্যন্ত সিলিন্ডারের পাইপে।
ঘটনাটা সবাইকে জানানোর কারণ হলো দয়া করে সবাই সাবধানে থাকবেন। সচেতন থাকবেন ।
পৃথিবীর সকল প্রাণ ভালো থাকুক ।

মানভী বিশ্বাস
স্বত্ত্বধিকারী
কৈশরী

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here